ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এনজিও ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন রাজমিস্ত্রি

নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩ ১১২৪ বার পড়া হয়েছে

১৫ থেকে ১৬ টি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে দিশেহারা ছিলেন রাজমিস্ত্রি হিরক মন্ডল (৩৬)। আজকে তার বাড়িতে এনজিও আত্মবিশ্বাস, সিএস, সেতু, পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতিসহ কয়েকটি এনজিও’র মাঠ কর্মী এসেছিলো কিস্তির টাকা নিতে। এসব এনজিও সংস্থাগুলোর কিস্তির টাকা দিতে না পারায় হিরক মন্ডলকে নানা ভাবে অপমান অপদস্ত করে।

এক পর্যায়ে সে অপমান সইতে না পেরে নিজ ঘরের বাঁশের আড়ার সাথে গলাই দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। আজ বৃহস্পতিবার (১০ আগষ্ট) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। হিরক মন্ডল মুজিবনগর উপজেলার মানিকনগর গ্রামের উৎপল ওরফে নতু মন্ডলের ছেলে। সে পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।

হিরক মন্ডলের স্ত্রী শেফালী মন্ডল বলেন, পরিবারের দারিদ্রতা ঘোঁছাতে একের পর এক ১৫ থেকে ১৬ টি এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এক সমিতির ঋণ পরিশোধ করতে আরেকটি সমিতির কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলাম। এভাবে প্রতিনিয়ত সমিতির সংখ্যা বেড়ে গেছে। আমরা দরিদ্র থেকে আরও বেশি দরিদ্র হয়ে গেছি।

মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল এই আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এনজিও ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন রাজমিস্ত্রি

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

১৫ থেকে ১৬ টি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে দিশেহারা ছিলেন রাজমিস্ত্রি হিরক মন্ডল (৩৬)। আজকে তার বাড়িতে এনজিও আত্মবিশ্বাস, সিএস, সেতু, পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতিসহ কয়েকটি এনজিও’র মাঠ কর্মী এসেছিলো কিস্তির টাকা নিতে। এসব এনজিও সংস্থাগুলোর কিস্তির টাকা দিতে না পারায় হিরক মন্ডলকে নানা ভাবে অপমান অপদস্ত করে।

এক পর্যায়ে সে অপমান সইতে না পেরে নিজ ঘরের বাঁশের আড়ার সাথে গলাই দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। আজ বৃহস্পতিবার (১০ আগষ্ট) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। হিরক মন্ডল মুজিবনগর উপজেলার মানিকনগর গ্রামের উৎপল ওরফে নতু মন্ডলের ছেলে। সে পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।

হিরক মন্ডলের স্ত্রী শেফালী মন্ডল বলেন, পরিবারের দারিদ্রতা ঘোঁছাতে একের পর এক ১৫ থেকে ১৬ টি এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এক সমিতির ঋণ পরিশোধ করতে আরেকটি সমিতির কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলাম। এভাবে প্রতিনিয়ত সমিতির সংখ্যা বেড়ে গেছে। আমরা দরিদ্র থেকে আরও বেশি দরিদ্র হয়ে গেছি।

মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল এই আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।