ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঐতিহাসি’ক মুজিবনগ’র দিব’স পাল’ন

নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:১২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪ ৭২ বার পড়া হয়েছে

মুজিবনগর সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। যারা ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসকে মানেনা, তারা মুক্তিযুদ্ধ ও এই স্বাধীন রাস্ট্রকেও মানে না। তারা আজও পাকিস্থানের দোষর হিসেবে কাজ করে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ কে যারা সাম্প্রদায়িক শক্তির হাতে সপে দিতে চায় তাদের প্রতিরোধ করাই হোক আজকের মুজিবনগর দিবেসের শপথ। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার মেহেরপুরের মুজিবনগর আম্রকাননের শেখ হাসিনা মঞ্চে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি-জামায়াতকে ইঙ্গিত করে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলের সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ।

জনসভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ খ ম মোজাম্মেল হক এমপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খাইরুজ্জামান লিটন, সিমিন হোসেন রিমি এমপি।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হক সাগর,এস এম কামাল হোসেন এমপি সহ আরো অনেকে।

জনসভায় বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ বলেন, গত দুইদিন আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলে বেড়াছেন সরকার বিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিদেশী শক্তির উপর আর নির্ভর করার যাবে না। নিজেদের শক্তি অর্জন করে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মির্জা ফখরুল এই সরকারকে উৎখাত করার জন্য এই দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বাধাঁ সৃষ্টির জন্য শুধু দেশেই নই,আন্তজার্তিক চক্রান্তকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে যড়ষন্ত্র করে ছিলেন, সেটা তিনি নিজেই স্বীকার করছেন। তাই আমি সকলকে আহবান জানাবো এই পাকিস্তানি এজেন্টদের উৎখাতের।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ খ ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা যাছাই বাছাই কমিটি রয়েছে। তারা স্থানীয় ভাবে যাছাই বাচাই শেষে মুক্তিযোদ্ধা জাতীয় কাউন্সিলে পাঠান। তারপর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট প্রকাশ করা হয়। যদি কোনো ব্যক্তি মিথ্য তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে থাকে সেটা কেউ অভিযোগ করলে বা মন্ত্রণালয়ের নজরে আসলে সেগুলো বাতিল করা হবে। প্রমান হওয়ায় ৮ হাজার ভূঁয়া মুক্তিযোদ্ধাকে বাতিল করা হয়েছে। ভূঁয়া তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন এমপি বলেন,
৭৫ এর পরে উত্থান ঘটেছে তাদের সর্ম্পকে আমাদের সর্তক থাকতে হবে। প্রতিদিন দেখি তারা বক্তব্য দেয়। সেই বক্তব্য মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিরোধী মিথ্যাচার। তারা যে ভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। তারা এই জাতির সর্বনাশ করেছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পদদলিত করেছে। তারা সব ধরনের যড়যন্ত্রে ব্যার্থ হয়েছে বলেন তিনি।

সকাল ৯ টার দিকে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক সর্ব প্রথম মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্প মাল্য অর্পণ করেন।

এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়াামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, সংসদ সদস্য ডাঃ সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে জেলা শাখার পক্ষে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফারহাদ হোসেন, মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক মোঃ শামীম হাসান, জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার এস এম নাজমুল হক, মেহেরপুর জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুষ্প মাল্য অর্পণ করা হয়।

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ চত্বরে শেখ হাসিনা মঞ্চের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জাতীয় সংগীতের সুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিসিম হোসেন রিমি দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় সেখানে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াাজ প্রদর্শন করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, আনসার ব্যাটালিয়ান, মেহেররপুর সরকারি কলেজ ও মেহেরপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএনসিসি, মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং মেহেরপুর সরকারি শিশু পরিবারের সদস্যরা মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন। প্রধান অতিথি সালাম গ্রহণ করেন। মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) আব্দুল করিম প্যারেড পরিচালনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঐতিহাসি’ক মুজিবনগ’র দিব’স পাল’ন

আপডেট সময় : ০১:১২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

মুজিবনগর সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। যারা ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসকে মানেনা, তারা মুক্তিযুদ্ধ ও এই স্বাধীন রাস্ট্রকেও মানে না। তারা আজও পাকিস্থানের দোষর হিসেবে কাজ করে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ কে যারা সাম্প্রদায়িক শক্তির হাতে সপে দিতে চায় তাদের প্রতিরোধ করাই হোক আজকের মুজিবনগর দিবেসের শপথ। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার মেহেরপুরের মুজিবনগর আম্রকাননের শেখ হাসিনা মঞ্চে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি-জামায়াতকে ইঙ্গিত করে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলের সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ।

জনসভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ খ ম মোজাম্মেল হক এমপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খাইরুজ্জামান লিটন, সিমিন হোসেন রিমি এমপি।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হক সাগর,এস এম কামাল হোসেন এমপি সহ আরো অনেকে।

জনসভায় বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ বলেন, গত দুইদিন আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলে বেড়াছেন সরকার বিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিদেশী শক্তির উপর আর নির্ভর করার যাবে না। নিজেদের শক্তি অর্জন করে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মির্জা ফখরুল এই সরকারকে উৎখাত করার জন্য এই দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বাধাঁ সৃষ্টির জন্য শুধু দেশেই নই,আন্তজার্তিক চক্রান্তকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে যড়ষন্ত্র করে ছিলেন, সেটা তিনি নিজেই স্বীকার করছেন। তাই আমি সকলকে আহবান জানাবো এই পাকিস্তানি এজেন্টদের উৎখাতের।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ খ ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা যাছাই বাছাই কমিটি রয়েছে। তারা স্থানীয় ভাবে যাছাই বাচাই শেষে মুক্তিযোদ্ধা জাতীয় কাউন্সিলে পাঠান। তারপর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট প্রকাশ করা হয়। যদি কোনো ব্যক্তি মিথ্য তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে থাকে সেটা কেউ অভিযোগ করলে বা মন্ত্রণালয়ের নজরে আসলে সেগুলো বাতিল করা হবে। প্রমান হওয়ায় ৮ হাজার ভূঁয়া মুক্তিযোদ্ধাকে বাতিল করা হয়েছে। ভূঁয়া তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন এমপি বলেন,
৭৫ এর পরে উত্থান ঘটেছে তাদের সর্ম্পকে আমাদের সর্তক থাকতে হবে। প্রতিদিন দেখি তারা বক্তব্য দেয়। সেই বক্তব্য মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিরোধী মিথ্যাচার। তারা যে ভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। তারা এই জাতির সর্বনাশ করেছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পদদলিত করেছে। তারা সব ধরনের যড়যন্ত্রে ব্যার্থ হয়েছে বলেন তিনি।

সকাল ৯ টার দিকে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক সর্ব প্রথম মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্প মাল্য অর্পণ করেন।

এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়াামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, সংসদ সদস্য ডাঃ সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে জেলা শাখার পক্ষে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফারহাদ হোসেন, মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক মোঃ শামীম হাসান, জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার এস এম নাজমুল হক, মেহেরপুর জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুষ্প মাল্য অর্পণ করা হয়।

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ চত্বরে শেখ হাসিনা মঞ্চের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জাতীয় সংগীতের সুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিসিম হোসেন রিমি দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় সেখানে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াাজ প্রদর্শন করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, আনসার ব্যাটালিয়ান, মেহেররপুর সরকারি কলেজ ও মেহেরপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএনসিসি, মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং মেহেরপুর সরকারি শিশু পরিবারের সদস্যরা মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন। প্রধান অতিথি সালাম গ্রহণ করেন। মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) আব্দুল করিম প্যারেড পরিচালনা করেন।