ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরে’র গাংনী’তে বোনকে খুঁজতে এসে নির্যাতনে’র শিকার দুই সহাে’দর

নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

কোলের দুই শিশুসহ নিখোঁজ বোনের খোঁজ নিতে এসে দুইভাইকে নির্যাতন করে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে বোন জামাই ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। পরে ৯৯৯ কল পেয়ে দুইজনকে উদ্ধার করে গাংনী থানা পুলিশ।

শুক্রবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার ধানখােলা ইউনিয়নের মহিষাখোলা গ্রামের ঈদগাহ পাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে।
আহতরা হলেন- গাংনী উপজেলার জালশুকা গ্রামের উত্তরপাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে জহুরুল ইসলাম ও আব্দুর রহমানের ছেলে আশরাফুল ইসলাম।

বর্তমানে তারা গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রবিউল ইসলামের স্ত্রী রহিমা খাতুন, তার মেয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া বৈশাখী খাতুন ও শিশু রজনী খাতুন (৫) নিখোঁজ রয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার মহিষাখোলা গ্রামের শামছুল আলমের ছেলে গরু ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম প্রায় ১২ বছর আগে জালশুকা গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে রহিমা খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে রহিমা খাতুনের ওপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে আসছেন স্বামী রবিউল ইসলাম।

শুক্রবার সকালে রবিউল ইসলাম তার শ্বশুর বাড়ি জালশুকা গ্রামে স্ত্রীকে খুঁজতে যান। রহিমা ও দুই মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না এ কথাগুলো বলেই তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে এদিন দুপুর ১ টার দিকে আবারও শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর খোঁজ করতে থাকেন রবিউল।
এঘটনায় জহুরুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম বোন ও কোলের দুই শিশুকে খুঁজতে স্বামী রবিউল ইসলামের বাড়িতে আসেন। এসময় রবিউল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন আশরাফুল ও জহুরুল ইসলামকে মারধর করে তাদের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন ।
পরে ভূক্তভোগীরা পুলিশের ৯৯৯ কল দিয়ে বিষয়টি জানালে, গাংনী থানা পুলিশের একটিদল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ কল পেয়ে পুলিশের একটিদল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক সিমা বিশ্বাস জানান, আহতদের শরীরে মারের দাগ রয়েছে। জহুরুল ইসলামের পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মেহেরপুরে’র গাংনী’তে বোনকে খুঁজতে এসে নির্যাতনে’র শিকার দুই সহাে’দর

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪

কোলের দুই শিশুসহ নিখোঁজ বোনের খোঁজ নিতে এসে দুইভাইকে নির্যাতন করে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে বোন জামাই ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। পরে ৯৯৯ কল পেয়ে দুইজনকে উদ্ধার করে গাংনী থানা পুলিশ।

শুক্রবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার ধানখােলা ইউনিয়নের মহিষাখোলা গ্রামের ঈদগাহ পাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে।
আহতরা হলেন- গাংনী উপজেলার জালশুকা গ্রামের উত্তরপাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে জহুরুল ইসলাম ও আব্দুর রহমানের ছেলে আশরাফুল ইসলাম।

বর্তমানে তারা গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রবিউল ইসলামের স্ত্রী রহিমা খাতুন, তার মেয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া বৈশাখী খাতুন ও শিশু রজনী খাতুন (৫) নিখোঁজ রয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার মহিষাখোলা গ্রামের শামছুল আলমের ছেলে গরু ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম প্রায় ১২ বছর আগে জালশুকা গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে রহিমা খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে রহিমা খাতুনের ওপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে আসছেন স্বামী রবিউল ইসলাম।

শুক্রবার সকালে রবিউল ইসলাম তার শ্বশুর বাড়ি জালশুকা গ্রামে স্ত্রীকে খুঁজতে যান। রহিমা ও দুই মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না এ কথাগুলো বলেই তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে এদিন দুপুর ১ টার দিকে আবারও শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর খোঁজ করতে থাকেন রবিউল।
এঘটনায় জহুরুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম বোন ও কোলের দুই শিশুকে খুঁজতে স্বামী রবিউল ইসলামের বাড়িতে আসেন। এসময় রবিউল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন আশরাফুল ও জহুরুল ইসলামকে মারধর করে তাদের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন ।
পরে ভূক্তভোগীরা পুলিশের ৯৯৯ কল দিয়ে বিষয়টি জানালে, গাংনী থানা পুলিশের একটিদল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ কল পেয়ে পুলিশের একটিদল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক সিমা বিশ্বাস জানান, আহতদের শরীরে মারের দাগ রয়েছে। জহুরুল ইসলামের পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।