ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরের ঝাউবাড়িয়ায় গৃহবধুর গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা

ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩ ১০৫৪ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া নওদাপাড়ায় নাজমা খাতুন(৩৮) নামের এক গৃহবধুর গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় এ ঘটনা ঘটে।

নাজমা খাতুন মেহেরপুর সদর উপজেলার আলমপুর গ্রামের নাজিমুদ্দিনের মেয়ে এবং সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী। নিহত নাজমা খাতুনের ভাই নাঈমুর রহমানের দাবি এটি আত্মহত্যা নয় নাজমা খাতুন কে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার অভিযোগ তোলেন নাজমা খাতুন এর স্বামী হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। হাফিজুল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের মৃত ছাদের হাজরার ছেলে।

নাঈমুর রহমান বলেন, আমার বোনকে মাঝে মাঝেই তার স্বামী হাফিজুল ইসলাম মারধর করতেন। কিছুদিন আগে সে মার খেয়ে আমাদের বাসায় চলে এসেছিল। পরে আবারো সে স্বামীর বাড়ি ফিরে যায়। আজ ভোরের দিকে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

নাঈমুর রহমান আরো বলেন, যদি আত্মহত্যায় হয় তবে তারা যে ঘরে বসবাস করতেন সেই ঘরে দেওয়াল, মেজে এবং ছাদে ওঠার সিঁড়িতে কেন রক্ত? এ ঘটনার পর থেকেই নাজমা খাতুনের স্বামী হাফিজুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। তার সাথে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মেহেরপুরের ঝাউবাড়িয়ায় গৃহবধুর গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১০:৩২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩

মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া নওদাপাড়ায় নাজমা খাতুন(৩৮) নামের এক গৃহবধুর গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় এ ঘটনা ঘটে।

নাজমা খাতুন মেহেরপুর সদর উপজেলার আলমপুর গ্রামের নাজিমুদ্দিনের মেয়ে এবং সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী। নিহত নাজমা খাতুনের ভাই নাঈমুর রহমানের দাবি এটি আত্মহত্যা নয় নাজমা খাতুন কে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার অভিযোগ তোলেন নাজমা খাতুন এর স্বামী হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। হাফিজুল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের মৃত ছাদের হাজরার ছেলে।

নাঈমুর রহমান বলেন, আমার বোনকে মাঝে মাঝেই তার স্বামী হাফিজুল ইসলাম মারধর করতেন। কিছুদিন আগে সে মার খেয়ে আমাদের বাসায় চলে এসেছিল। পরে আবারো সে স্বামীর বাড়ি ফিরে যায়। আজ ভোরের দিকে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

নাঈমুর রহমান আরো বলেন, যদি আত্মহত্যায় হয় তবে তারা যে ঘরে বসবাস করতেন সেই ঘরে দেওয়াল, মেজে এবং ছাদে ওঠার সিঁড়িতে কেন রক্ত? এ ঘটনার পর থেকেই নাজমা খাতুনের স্বামী হাফিজুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। তার সাথে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।