ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরে রাজনগর থেকে আরমান বীজ ভান্ডারের জব্দকৃত এক ট্রাক বীজ বারাদী বাজার থেকে আবারও আটক

নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪ ২১২ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরের রাজনগর থেকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত শনিবার রাতে অনিবন্ধিত ও ট্যাগবিহীন স্বর্ণা জাতের ধান বীজ জব্দ করা হয়। গতকাল সোমবার বিকেলে বারাদী ক্যাম্প পুলিশের অভিযানে ক্যাম্পের সামনে থেকে ট্রাকটি আটক করা হয়।

গত শনিবার রাতে জব্দকৃত বীজের ট্রাকটি জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার প্রামানিক এর জিম্মায় দেওয়া হয়। জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় ট্রাকটি বিএডিসি মেহেরপুর দপ্তর হেফাজতে রাখা হয়। জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসারের গত দিনের বক্তব্য মতে, মানহীন ও অনিবন্ধিত বীজ কৃষকদের কাছে পৌঁছালে দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়বে। জব্দকৃত বীজের নমুনা সংগ্রহ করে গাজীপুর কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।

মানহীন বীজ হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। অথচ রাতারাতি সেই বীজ পরীক্ষা ছাড়াই আবারো বিক্রির উদ্দেশ্যে জেলার বাইরে পাঠানো হয়েছে। অনিবন্ধিত ও ট্যাগবিহীন জব্দকৃত বীজের ট্রাকটি জেলার বাহিরে যাচ্ছে এমন খবরে বারাদী পুলিশ ক্যাম্পের বিশেষ অভিযানে ট্রাকটি আবারও আটক করা হয়। খবর পেয়ে জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার প্রামানিক ঘটনাস্থলে আসেন।

তিনি জানান আটককৃত বীজগুলি মানঘোষিত যেটা আমাদের মিনি ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। এই বীজ আটকে রাখার এখতিয়ার আমার নাই। এই বীজের সাথে ভারতীয় চারশ বস্তা বীজ কিভাবে যাচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এটা আমি বলতে পারবো না। এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাজিব হাসান জানান, গত ২২ তারিখের রাতে ২০১৮ সালের বীজ আইনে আটককৃত ২ হাজার বস্তা ধান বীজ জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। আজ হঠাৎ খবর পেলাম সেই বীজ আবার জেলার বাহিরে চলে যাচ্ছে। জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তাকে বলা হয়েছিল ঢাকা বীজ পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কিন্তু জানতে পেলাম কোন অনুমতি ছাড়াই প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে তিনি বীজের ট্রাকটি গোপনে বের করে দিয়েছেন। এটা সদর থানার ওসি সাহেব ও বারাদী ক্যাম্প পুলিশের সহায়তায় আটক করা হয়। আটককৃত বীজের ট্রাকটি বারাদী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। প্রত্যয়ন অফিসার তিনি যে আদেশ অমান্য করেছেন এ বিষয়টি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্যারকে অবহিত করেছি। তিনি যে মোবাইল কোর্টের আদেশ অমান্য করেছেন এ বিষয়ে আমরা তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে জানাবো ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মেহেরপুরে রাজনগর থেকে আরমান বীজ ভান্ডারের জব্দকৃত এক ট্রাক বীজ বারাদী বাজার থেকে আবারও আটক

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

মেহেরপুরের রাজনগর থেকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত শনিবার রাতে অনিবন্ধিত ও ট্যাগবিহীন স্বর্ণা জাতের ধান বীজ জব্দ করা হয়। গতকাল সোমবার বিকেলে বারাদী ক্যাম্প পুলিশের অভিযানে ক্যাম্পের সামনে থেকে ট্রাকটি আটক করা হয়।

গত শনিবার রাতে জব্দকৃত বীজের ট্রাকটি জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার প্রামানিক এর জিম্মায় দেওয়া হয়। জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় ট্রাকটি বিএডিসি মেহেরপুর দপ্তর হেফাজতে রাখা হয়। জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসারের গত দিনের বক্তব্য মতে, মানহীন ও অনিবন্ধিত বীজ কৃষকদের কাছে পৌঁছালে দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়বে। জব্দকৃত বীজের নমুনা সংগ্রহ করে গাজীপুর কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।

মানহীন বীজ হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। অথচ রাতারাতি সেই বীজ পরীক্ষা ছাড়াই আবারো বিক্রির উদ্দেশ্যে জেলার বাইরে পাঠানো হয়েছে। অনিবন্ধিত ও ট্যাগবিহীন জব্দকৃত বীজের ট্রাকটি জেলার বাহিরে যাচ্ছে এমন খবরে বারাদী পুলিশ ক্যাম্পের বিশেষ অভিযানে ট্রাকটি আবারও আটক করা হয়। খবর পেয়ে জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার প্রামানিক ঘটনাস্থলে আসেন।

তিনি জানান আটককৃত বীজগুলি মানঘোষিত যেটা আমাদের মিনি ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। এই বীজ আটকে রাখার এখতিয়ার আমার নাই। এই বীজের সাথে ভারতীয় চারশ বস্তা বীজ কিভাবে যাচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এটা আমি বলতে পারবো না। এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাজিব হাসান জানান, গত ২২ তারিখের রাতে ২০১৮ সালের বীজ আইনে আটককৃত ২ হাজার বস্তা ধান বীজ জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। আজ হঠাৎ খবর পেলাম সেই বীজ আবার জেলার বাহিরে চলে যাচ্ছে। জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তাকে বলা হয়েছিল ঢাকা বীজ পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কিন্তু জানতে পেলাম কোন অনুমতি ছাড়াই প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে তিনি বীজের ট্রাকটি গোপনে বের করে দিয়েছেন। এটা সদর থানার ওসি সাহেব ও বারাদী ক্যাম্প পুলিশের সহায়তায় আটক করা হয়। আটককৃত বীজের ট্রাকটি বারাদী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। প্রত্যয়ন অফিসার তিনি যে আদেশ অমান্য করেছেন এ বিষয়টি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্যারকে অবহিত করেছি। তিনি যে মোবাইল কোর্টের আদেশ অমান্য করেছেন এ বিষয়ে আমরা তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে জানাবো ।